জিম্বাবুয়ে

জিম্বাবুয়ের ছাত্র পারমিটের ছবি (35×45 মিমি)

প্রয়োজনীয় সাইজ: 35×45 মিমি (1.38×1.77 ইঞ্চি)। আপনার ছবিটি আপনার ডিভাইসে প্রসেস করা হয়।

এই নথির জন্য প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট কোনো ছবির আকার প্রকাশ করে না, তাই স্টুডিও সাধারণত সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত আকারটি ব্যবহার করে। আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার কাছ থেকে বর্তমান নিয়মগুলো যাচাই করে নিন।

কোনো ছবি বেছে নেওয়া হয়নি

আপনার ফোন থেকে একটি প্রতিকৃতি আপলোড করুন অথবা আপনার ক্যামেরা দিয়ে একটি তুলুন।

এখনো কোনো ছবি বেছে নেওয়া হয়নি।

ছবির প্রয়োজনীয়তা

  • সাইজ: 35×45 মিমি (1.38×1.77 ইঞ্চি)
  • মাথার সাইজ: কর্তৃপক্ষ দ্বারা নির্ধারিত নয়
  • ব্যাকগ্রাউন্ড: সাদা
  • গোপনীয়তা: আপনার ডিভাইসে প্রসেস করা হয়; ছবি আপলোড করা হয় না

ব্যাকগ্রাউন্ড

আপনার পেছনে একটি গ্রহণযোগ্য রঙ দিন। এটি আপনার ডিভাইসেই সম্পন্ন হয়।

অফিশিয়াল স্পেসিফিকেশন

অফিশিয়াল নামStudents Permit
যেভাবে জমা দিতে হবেপ্রিন্ট করা ছবি
ছবির সাইজ35×45 মিমি (1.38×1.77 ইঞ্চি)
মাথার উচ্চতা (চিবুক থেকে মাথার উপর পর্যন্ত)কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত নয়
পটভূমিসাদা
চশমাচশমা খুলে ফেলুন, যদি না চিকিৎসা সংক্রান্ত কারণে আপনার তা পরা আবশ্যক হয়
মাথা ঢাকার পোশাকশুধুমাত্র ধর্মীয় বা চিকিৎসা সংক্রান্ত কারণে, মুখ সম্পূর্ণ দৃশ্যমান রেখে
মুখের ভাবভাবলেশহীন, মুখ বন্ধ, চোখ খোলা

জিম্বাবুয়ে স্টুডেন্ট পারমিট ছবির প্রয়োজনীয়তা এবং সাইজ নির্দেশিকা

জিম্বাবুয়েতে পড়াশোনা করার জন্য আবেদন করার অর্থ হলো আপনার কাগজপত্রের সাথে ভৌত ছবি সরবরাহ করতে হবে। এই নির্দেশিকাটি আপনাকে আপনার আবেদন সঠিকভাবে প্রস্তুত করতে সাহায্য করে।

অফিশিয়াল সাইজ এবং পরিমাপ

ইমিগ্রেশন বিভাগের ব্রোশিওরে সঠিক সাদৃশ্য হিসেবে প্রত্যয়িত দুটি পাসপোর্ট সাইজের ছবি প্রয়োজন[1]। এটি কোনো সুনির্দিষ্ট মাত্রা প্রদান করে না[1]।

35 by 45 মিমি, বা প্রায় 1.38 by 1.77 ইঞ্চি মাপের ক্রপ সাধারণভাবে ব্যবহারিক বলে বিবেচিত হয়। ব্রোশিওরে এই মাপের উল্লেখ নেই[1]।

ব্যাকগ্রাউন্ড এবং অফিশিয়াল নিয়ম

সরকারি নির্দেশিকায় আপনার পেছনের পরিবেশটি কেমন হওয়া উচিত সে সম্পর্কে সীমিত বিবরণ দেওয়া হয়েছে। ব্রোশিওরে প্রকৃত চেহারার সঙ্গে মিল আছে বলে প্রত্যয়িত দুটি পাসপোর্ট-সাইজ ছবি চাওয়া হয়েছে, তবে পটভূমি বা সুনির্দিষ্ট মাপ উল্লেখ করা হয়নি[1]। ইমিগ্রেশন বিভাগ যেহেতু পটভূমির কোনো নির্দিষ্ট রং বা স্টুডিও সেটআপ বাধ্যতামূলক করেনি, তাই বাড়িতে একটি সাদামাটা, হালকা রঙের দেয়াল বেছে নিন।

ব্যস্ত প্যাটার্ন, কঠোর দেওয়ালের ছায়া বা আপনার পিছনের বস্তুগুলো এড়িয়ে চলুন যা আপনার মুখের গঠন থেকে মনোযোগ সরিয়ে দিতে পারে। সামনে থেকে স্পষ্ট, উজ্জ্বল আলো আপনার চোখ বা কাঁধের ওপর অবাঞ্ছিত অন্ধকার না ফেলে আপনার মুখের বৈশিষ্ট্যগুলোকে সঠিকভাবে ফুটিয়ে তুলবে।

জমা দেওয়ার এবং প্রিন্ট করার প্রয়োজনীয়তা

ব্রোশিওরে সঠিক সাদৃশ্য হিসেবে প্রত্যয়িত দুটি পাসপোর্ট সাইজের ছবি প্রয়োজন[1]। এটি ডিজিটাল জমা দেওয়ার বর্ণনা দেয় না বা কোনো ডিজিটাল ফাইল ইমেল করা যাবে কি না তাও বলে না।

এর পরিবর্তে, আপনাকে আপনার ছবিটি সঠিকভাবে ক্রপ করতে হবে এবং প্রিন্ট করার জন্য এটিকে একটি স্ট্যান্ডার্ড লেআউট শিটে বসাতে হবে। আপনার ব্যক্তিগত ছবি কোথাও আপলোড না করেই ব্রাউজারে দ্রুত আপনার ছবির ফাইল প্রস্তুত করতে আপনি উপরের টুলটি ব্যবহার করতে পারেন। আপনার ফরম্যাট করা শিটটি ডাউনলোড করার পর, এটি কোনো স্থানীয় দোকানে নিয়ে যান এবং একটি স্ট্যান্ডার্ড 4x6 ইঞ্চির ছবি হিসেবে প্রিন্ট করুন।

শিশু এবং শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়ম

আপনি যদি কমবয়সী আবেদনকারীদের জন্য কাগজপত্র জমা দেন, তাহলে আপনাকে নির্দিষ্ট শিশু-কিশোরদের নির্দেশিকা অনুসরণ করতে হবে। শিশুদের জন্য স্কলার্স পারমিটের আবেদনে প্রকৃত চেহারার সঙ্গে মিল আছে বলে প্রত্যয়িত দুটি ছবি প্রয়োজন[1]। শিশুর সঠিক ভঙ্গি ও ফ্রেমিং পেতে ছবি তুলতে বাড়তি ধৈর্য লাগতে পারে।

ব্রোশিওরে শিশুদের স্কলার্স পারমিটের আবেদনের জন্য প্রকৃত চেহারার সঙ্গে মিল আছে বলে প্রত্যয়িত দুটি ছবির কথা বলা হয়েছে[1]। ছবি তোলার সময় ছবি-তোলকের নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

মাথার উচ্চতা ও অনির্দিষ্ট নিয়ম

কিছু শারীরিক মাপ ও ব্যক্তিগত অনুষঙ্গের বিষয়ে নথিতে কঠোর সরকারি বিধিনিষেধের উল্লেখ নেই। সরকারি নির্দেশিকায় কর্তৃপক্ষ মাথার উচ্চতা নির্ধারণ করেনি[1]। এ ছাড়া চশমা ও মাথা ঢাকার পোশাকের নিয়মও সূত্রে নির্দিষ্ট করা নেই[1]।

ব্রোশিওরে মাথার উচ্চতা, চশমা বা মাথা ঢাকার পোশাক সম্পর্কে নির্দিষ্ট কিছু বলা নেই[1]।

বাড়িতে আপনার ছবি তোলা

প্রিন্টের দোকানে যাওয়ার আগে বাড়িতে ছবি তোলার ব্যবস্থা করলে সময় ও খরচ বাঁচে। বড় জানালা দিয়ে প্রচুর প্রাকৃতিক আলো আসে—এমন একটি নিরিবিলি ঘর খুঁজে নিন এবং জানালার দিকে সোজা হয়ে দাঁড়ান। সেলফি তোলার জন্য হাত বাড়িয়ে ছবি না তুলে পরিবারের কাউকে বা বন্ধুকে স্মার্টফোন বা ডিজিটাল ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলতে বলুন।

ক্যামেরার লেন্স আপনার চোখের সমান উচ্চতায় রাখুন এবং বিকৃতি এড়াতে লেন্স থেকে প্রায় এক থেকে দুই মিটার দূরে থাকুন। কয়েকটি পরীক্ষামূলক ছবি তুলুন, যাতে সেরা আলোতে তোলা ছবিটি বেছে নিতে পারেন।

প্রিন্ট করা ছবির প্রত্যয়ন

ব্রোশিওরে প্রকৃত চেহারার সঙ্গে মিল আছে বলে প্রত্যয়িত দুটি পাসপোর্ট-সাইজ ছবি চাওয়া হয়েছে[1]। কে ছবিগুলোর প্রত্যয়ন করবেন বা কীভাবে তা করা হবে, সে বিষয়ে কিছু বলা নেই।

আপনার প্রিন্টে স্বাক্ষর করার যোগ্য ব্যক্তি কে, তা জানতে স্থানীয় অভিবাসন দপ্তরে যোগাযোগ করুন। প্রত্যয়নের পর চূড়ান্ত আবেদনপত্রের সঙ্গে লাগানো পর্যন্ত ছবিগুলো নিরাপদে ও সমতলভাবে রাখুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

জিম্বাবুয়ে স্টুডেন্ট পারমিটের জন্য ছবির মাপ কত হওয়া দরকার?

কর্তৃপক্ষ কোনো একক সরকারি মাপ প্রকাশ করেনি, তবে 35 by 45 মিমি একটি প্রচলিত ব্যবহারিক ক্রপ[1]।

এই আবেদনের জন্য কি ডিজিটাল ছবি আপলোড করা যায়?

না, ইমিগ্রেশন বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী প্রকৃত চেহারার সঙ্গে মিল আছে বলে প্রত্যয়িত দুটি পাসপোর্ট-সাইজের প্রিন্ট করা ছবি দিতে হয়[1]।

সরকারি ব্রোশিওরে কি পটভূমির রং নির্দিষ্ট করা আছে?

ব্রোশিওরে পাসপোর্ট-আকারের দুটি ছবি চাওয়া হয়েছে, যেগুলো প্রকৃত চেহারার সঙ্গে মিল আছে বলে প্রত্যয়িত; তবে পটভূমি বা সঠিক মাপ নির্দিষ্ট করা নেই[1]।

পারমিটের জন্য আবেদন করা শিশুদের কি বিশেষ কোনো নিয়ম আছে?

শিশুদের জন্য স্কলার্স পারমিটের আবেদনে প্রকৃত চেহারার সঙ্গে মিল আছে বলে প্রত্যয়িত দুটি ছবি প্রয়োজন[1]।

জিম্বাবুয়েতে স্টুডেন্ট পারমিট কে দেয়?

Department of Immigration স্টুডেন্ট পারমিট দেয়[1]।