গ্রেনাডা

গ্রেনাডা ওয়ার্ক পারমিট ফটো (35×45 মিমি)

প্রয়োজনীয় সাইজ: 35×45 মিমি (1.38×1.77 ইঞ্চি)। আপনার ছবিটি আপনার ডিভাইসে প্রসেস করা হয়।

এই নথির জন্য প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট কোনো ছবির আকার প্রকাশ করে না, তাই স্টুডিও সাধারণত সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত আকারটি ব্যবহার করে। আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার কাছ থেকে বর্তমান নিয়মগুলো যাচাই করে নিন।

কোনো ছবি বেছে নেওয়া হয়নি

আপনার ফোন থেকে একটি প্রতিকৃতি আপলোড করুন অথবা আপনার ক্যামেরা দিয়ে একটি তুলুন।

এখনো কোনো ছবি বেছে নেওয়া হয়নি।

ছবির প্রয়োজনীয়তা

  • সাইজ: 35×45 মিমি (1.38×1.77 ইঞ্চি)
  • মাথার সাইজ: কর্তৃপক্ষ দ্বারা নির্ধারিত নয়
  • ব্যাকগ্রাউন্ড: সাদা
  • গোপনীয়তা: আপনার ডিভাইসে প্রসেস করা হয়; ছবি আপলোড করা হয় না

ব্যাকগ্রাউন্ড

আপনার পেছনে একটি গ্রহণযোগ্য রঙ দিন। এটি আপনার ডিভাইসেই সম্পন্ন হয়।

অফিশিয়াল স্পেসিফিকেশন

অফিশিয়াল নামWork Permit
যেভাবে জমা দিতে হবেপ্রিন্ট করা ছবি
ছবির সাইজ35×45 মিমি (1.38×1.77 ইঞ্চি)
মাথার উচ্চতা (চিবুক থেকে মাথার উপর পর্যন্ত)কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত নয়
পটভূমিসাদা
চশমাচশমা খুলে ফেলুন, যদি না চিকিৎসা সংক্রান্ত কারণে আপনার তা পরা আবশ্যক হয়
মাথা ঢাকার পোশাকশুধুমাত্র ধর্মীয় বা চিকিৎসা সংক্রান্ত কারণে, মুখ সম্পূর্ণ দৃশ্যমান রেখে
মুখের ভাবভাবলেশহীন, মুখ বন্ধ, চোখ খোলা

গ্রেনাডা কাজের অনুমতির (ওয়ার্ক পারমিট) ছবির প্রয়োজনীয়তা ও সাইজ

গ্রেনাডা ওয়ার্ক পারমিটের আবেদনের জন্য সঠিক মাপ এবং ফর্ম্যাট পান। আপনার প্রিন্ট করা ছবি সঠিকভাবে প্রস্তুত করতে এই ব্যবহারিক ধাপগুলো অনুসরণ করুন।

অফিশিয়াল সাইজ এবং মাত্রা

শ্রম অধিদপ্তরের পৃষ্ঠায় ওয়ার্ক পারমিটের প্রয়োজনীয়তাগুলোর তালিকা দেওয়া আছে কিন্তু ছবির কোনো মাত্রা দেওয়া নেই[1]। ৩৫ গুণ ৪৫ মিলিমিটার (প্রায় ১.৩৮ গুণ ১.৭৭ ইঞ্চি) ক্রপ করা একটি সাধারণ সাইজ; প্রিন্ট করার আগে অধিদপ্তরের সাথে প্রত্যাশিত মাত্রা যাচাই করে নিন।

অধিদপ্তরের পৃষ্ঠায় পাসপোর্ট সাইজের ছবির কথা বলা হয়েছে কিন্তু কোনো মাপ দেওয়া নেই[1]। প্রিন্ট করার আগে অধিদপ্তর কী সাইজ গ্রহণ করে তা জেনে নিন।

প্রিন্ট করে ছবি জমা দেওয়ার নিয়ম

নতুন আবেদনের জন্য পাসপোর্ট সাইজের দুটি ছবি প্রয়োজন[1]। নবায়নের জন্যও পাসপোর্ট সাইজের দুটি ছবি প্রয়োজন[1]।

প্রতিটি ছবির পেছনে ব্লক লেটারে (বড় হাতের অক্ষরে) আপনার নাম লিখুন[1]।

মাথার উচ্চতা এবং ফ্রেমের মাপ

আপনার ওয়ার্ক পারমিটের ছবির জন্য কর্তৃপক্ষ মাথার উচ্চতার নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নির্ধারণ করেনি। ফ্রেমের ঠিক মাঝখানে আপনার মুখটি স্পষ্ট করে রাখুন।

আপনার মাথা এবং কাঁধের চারপাশে অল্প এবং সামঞ্জস্যপূর্ণ জায়গা রাখুন যাতে আপনার পুরো মুখটি দৃশ্যমান হয়। আপনার কাঁধ ক্যামেরার দিকে সোজা রাখুন এবং সোজা সামনে তাকান। মাথা একপাশে কাত করা বা ওপর-নিচ করা থেকে বিরত থাকুন, কারণ মাথার একটি স্বাভাবিক অবস্থান কর্মকর্তাদের আপনার পরিচয় যাচাই করতে সাহায্য করে।

ব্যাকগ্রাউন্ড এবং আলোর ব্যবস্থা

শ্রম অধিদপ্তর ব্যাকগ্রাউন্ডের নির্দিষ্ট কোনো রঙের কথা উল্লেখ করেনি। আপনার মুখের ওপরই যেন মনোযোগ থাকে, সে জন্য পেছনে একটি সাদামাটা, হালকা রঙের দেয়াল বেছে নিন।

মুখে নরম এবং প্রাকৃতিক আলো পাওয়ার জন্য জানালার মুখোমুখি হন। কড়া মাথার ওপরের আলোর নিচে দাঁড়ানো থেকে বিরত থাকুন যা গাঢ় ছায়া সৃষ্টি করে। সামনের প্রাকৃতিক আলো আপনার ত্বকের রঙ সমান রাখে এবং চোখ বা নাকের নিচে কোনো অন্ধকার দাগ তৈরি না করে আপনার বৈশিষ্ট্যগুলোকে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলে।

ঘরে বসে ছবি তোলা

ক্যামেরা থেকে প্রায় এক থেকে দেড় মিটার দূরে দাঁড়ান, অথবা অন্য কাউকে আপনার ছবি তুলে দিতে বলুন। ক্যামেরার লেন্স সরাসরি আপনার চোখের উচ্চতায় রাখুন।

আপনার মুখের অভিব্যক্তি স্বাভাবিক রাখুন এবং সরাসরি লেন্সের দিকে তাকান। আপনার ছবিটিকে ৩৫ গুণ ৪৫ মিলিমিটার সাইজে ক্রপ করতে আপনি উপরের টুলটি ব্যবহার করতে পারেন। একাধিক শট নিলে আপনার কাছে এমন একটি ছবি বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকে যেখানে আপনার চোখ পুরোপুরি খোলা এবং মুখ স্বাভাবিকভাবে বন্ধ রয়েছে।

আপনার ছবি যাচাই করা

ছবি প্রিন্ট করার আগে আপনার কম্পিউটারের স্ক্রিন বা ফোনে বিশদ বিবরণগুলো মনোযোগ দিয়ে দেখুন। আলো উজ্জ্বল আছে কিনা এবং আপনার মুখ স্পষ্ট কিনা তা পরীক্ষা করে নিন।

আপনার চোখ বা পেছনের দেওয়ালে যেন কোনো ছায়া না পড়ে তা নিশ্চিত করুন। ক্রপ করার পর মাথা চারপাশে পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে কিনা এবং মাত্রাগুলো ৩৫ গুণ ৪৫ মিলিমিটার অনুপাতের সাথে মিলছে কিনা তা যাচাই করুন। স্ক্রিনে ছোটখাটো ভুলগুলো ধরে ফেললে প্রিন্ট স্টুডিওতে আপনার সময় এবং অর্থ বাঁচবে।

কিয়স্কে প্রিন্ট করা

আপনার ছবি ক্রপ করার পর, আপনি এটিকে একটি আদর্শ চার গুণ ছয় ইঞ্চির শীটে সাজাতে পারেন। ফাইলটি সেভ করুন এবং স্থানীয় কোনো প্রিন্ট কিয়স্কে নিয়ে যান।

সাধারণ চার গুণ ছয় ইঞ্চির ছবি হিসেবে শীটটি প্রিন্ট করুন। ছবিগুলো সাবধানে কেটে আলাদা করুন এবং উভয় প্রিন্টের পেছনে ব্লক লেটারে (বড় হাতের অক্ষরে) আপনার নাম লিখতে ভুলবেন না[1]। ধারগুলো সোজা এবং পরিষ্কার রাখতে এক জোড়া ধারালো কাঁচি বা পেপার কাটার ব্যবহার করুন।

যাওয়ার আগে যা করবেন

শ্রম অফিসে যাওয়ার আগে আপনার সমস্ত আবেদনপত্র, সহায়ক কাগজপত্র এবং প্রিন্ট করা দুটি ছবি সংগ্রহ করুন। উভয় ছবির পেছনে আপনার নাম ব্লক লেটারে (বড় হাতের অক্ষরে) স্পষ্টভাবে লেখা আছে কিনা তা দুবার চেক করুন[1]।

পরিচয়পত্র বা কর্মসংস্থানের চিঠির মতো অন্য কোনো আইটেমের প্রয়োজন আছে কিনা তা দেখতে আবেদন চেকিস্টটি পর্যালোচনা করুন। ভালোভাবে প্রস্তুত থাকলে মানসিক চাপ কমে এবং আপনার আবেদন জমা দেওয়ার কাজটি সহজে সম্পন্ন হয়।

ছবি প্রত্যাখ্যান হওয়ার সাধারণ কারণগুলো

ছবি ঝাপসা, খুব অন্ধকার বা অস্বাভাবিক কোণ থেকে তোলা হলে তা প্রত্যাখ্যান করা হতে পারে। আপনার মুখের বৈশিষ্ট্য ঢেকে যায় এমন রোদচশমা বা টুপি পরবেন না।

আপনি দুটি কপি প্রিন্ট করেছেন এবং প্রতিটির পেছনে আপনার নাম পরিষ্কারভাবে লিখেছেন কিনা তা দুবার চেক করুন[1]। প্রিন্ট করার আগে আপনার ক্রপ চেক করতে আপনি উপরের টুলটি ব্যবহার করতে পারেন। ভারী ফিল্টার বা এডিটিং টুল ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন যা আপনার স্বাভাবিক চেহারা পরিবর্তন করে, কারণ অভিবাসন ও শ্রম কর্মকর্তারা বাস্তবসম্মত চেহারার প্রত্যাশা করেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

গ্রেনাডা ওয়ার্ক পারমিটের ছবির সাইজ কত?

অধিদপ্তরের পৃষ্ঠায় পাসপোর্ট সাইজের ছবি প্রয়োজন বলে উল্লেখ করা হয়েছে কিন্তু কোনো মাপ দেওয়া নেই[1]। অফিস কী সাইজ গ্রহণ করে তা তাদের কাছে জেনে নিন।

আমার কয়টি ছবি জমা দিতে হবে?

নতুন আবেদনের জন্য আপনার পাসপোর্ট সাইজের দুটি প্রিন্ট করা ছবি এবং নবায়নের জন্য দুটি ছবি প্রয়োজন[1]।

ছবির ওপর কি কিছু লিখতে হবে?

হ্যাঁ, প্রতিটি ছবির পেছনে আপনাকে অবশ্যই ব্লক লেটারে (বড় হাতের অক্ষরে) আপনার নাম লিখতে হবে[1]।

আমি কি অনলাইনে কোনো ডিজিটাল ফাইল জমা দিতে পারি?

অধিদপ্তরের পৃষ্ঠায় প্রিন্ট করা পাসপোর্ট সাইজের ছবি প্রয়োজন বলে উল্লেখ করা হয়েছে[1]। ডিজিটাল ফাইলও গ্রহণ করা হয় কিনা তা সেখানে বলা হয়নি।

আমার কোন ব্যাকগ্রাউন্ডের রঙ ব্যবহার করা উচিত?

শ্রম অধিদপ্তর ব্যাকগ্রাউন্ডের কোনো নির্দিষ্ট রঙ নির্দিষ্ট করে দেয়নি, তাই একটি সাধারণ, হালকা ব্যাকগ্রাউন্ডই সবচেয়ে ভালো।

আমি কি ছবিতে চশমা পরতে পারি?

অফিশিয়াল নির্দেশিকাতে চশমার কোনো নিয়মের কথা উল্লেখ করা হয়নি, তবে যেকোনো ধরনের চকচকে ভাব বা আলোর প্রতিফলন এড়াতে চশমা খুলে ফেলাটাই সবচেয়ে নিরাপদ।