আর্মেনিয়ার শরণার্থী ভ্রমণ নথির ছবির শর্ত
এই নির্দেশিকা অনুসরণ করে আর্মেনিয়ার শরণার্থী ভ্রমণ নথির ছবির সঠিক মাপ ও ফরম্যাট প্রস্তুত করুন।
সরকারি মাপ ও প্রিন্টের শর্ত
নিয়মে শরণার্থী ভ্রমণ নথির জন্য 35 বাই 45 মিলিমিটার মাপের ছবি নির্দিষ্ট করা হয়েছে[1]।
এই আবেদনের জন্য ডিজিটাল ফাইলের বদলে প্রিন্ট করা কপি জমা দিতে হবে[1]। বিশেষভাবে, আবেদনের সময় একই রকম দুটি রঙিন ছবি দিতে হবে[1]। কাগজে প্রিন্ট করা কপি বাধ্যতামূলক, তাই প্রিন্টের মানের দিকে বিশেষ মনোযোগ দিন।
ঝাপসা বা গাঢ় প্রিন্ট অফিসে কাজের বিলম্ব ঘটাতে পারে। কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার আগে সব সময় বাস্তব মাপার স্কেল দিয়ে প্রিন্ট করা ছবির মাপ যাচাই করুন।
কে ছবি তোলেন এবং অফিসের নিয়ম
নিয়মে ভ্রমণ নথির জন্য দুটি রঙিন ছবি চাওয়া হয়েছে[1]।
আগেভাগে বাড়িতে নিজে কপি প্রস্তুত করতে চাইলে, ওপরের টুলটি দিয়ে ছবির মাপ ঠিক 35 বাই 45 মিলিমিটার করতে পারেন। টুলটি দ্রুত ও সহজে সঠিক অনুপাত নির্ধারণে সাহায্য করে।
নিয়মে চাওয়া দুটি রঙিন ছবি প্রস্তুত করুন[1]।
পটভূমি ও ফ্রেমে রাখার নির্দেশনা
নিয়মে দুটি রঙিন ছবি চাওয়া হয়েছে, তবে পটভূমির রং বা ফ্রেমে রাখার মাপ উল্লেখ করা হয়নি[1]।
সরকারি নিয়মে নির্দিষ্ট পটভূমির রং, মাথার উচ্চতা বা প্রান্তের মাপ দেওয়া নেই, তাই পরিষ্কার ছবি পেতে সাধারণ ফটোগ্রাফির ভালো অভ্যাস অনুসরণ করতে পারেন। বিকৃতি এড়াতে ক্যামেরা থেকে প্রায় এক থেকে দেড় মিটার দূরে দাঁড়ান।
মুখে সমান আলো পেতে জানালার মতো কোমল আলোর উৎসের দিকে মুখ করে দাঁড়ান। থুতনির নিচে বা কানের পেছনে তীব্র ছায়া পড়া এড়িয়ে চলুন।
চশমা, মাথা ঢাকার পোশাক ও মুখের অভিব্যক্তি
কর্তৃপক্ষের সরকারি নিয়মে চশমা বা মাথা ঢাকার পোশাক পরার অনুমতি আছে কি না তা উল্লেখ নেই[1]। স্বাভাবিক অভিব্যক্তি বা বন্ধ মুখের জন্যও কঠোর কোনো নিয়ম নির্দিষ্ট করা হয়নি[1]।
বাড়িতে ছবি তোলার সময় সতর্কতার জন্য মুখ স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান এবং অভিব্যক্তি শান্ত রাখা ভালো। প্রতিদিন পাওয়ার চশমা পরলে, চশমাসহ ছবি তুলে দেখতে পারেন।
ফ্রেম যেন চোখ ঢেকে না ফেলে এবং কাচের লেন্সে উজ্জ্বল আলোর প্রতিফলন যেন না পড়ে, তা নিশ্চিত করুন। ধর্মীয় বা চিকিৎসাজনিত কারণে মাথা ঢাকার পোশাক পরলে থুতনির নিচ থেকে কপালের ওপর পর্যন্ত মুখ দৃশ্যমান রাখুন।
শিশু ও সঙ্গে থাকা অপ্রাপ্তবয়স্কদের নিয়ম
শরণার্থীর সঙ্গে ভ্রমণকারী প্রতিটি শিশুর জন্য 35 বাই 45 মিলিমিটার মাপের দুটি রঙিন ছবি প্রয়োজন[1]।
শিশু বা ছোট্ট বাচ্চার ছবি তুলতে ধৈর্য ও পরিকল্পনা দরকার। শিশুকে মেঝেতে সাদামাটা হালকা রঙের চাদরের ওপর চিত করে শুইয়ে সরাসরি ওপর থেকে ছবি তুলতে পারেন।
শিশু জেগে আছে এবং চোখ খোলা রেখে সম্ভব হলে ক্যামেরার দিকে তাকাচ্ছে, তা নিশ্চিত করুন। চূড়ান্ত ছবির ফ্রেমে আপনার হাত বা অন্য কোনো বস্তু যেন না দেখা যায়।
আপনার ছবি কীভাবে প্রস্তুত ও প্রিন্ট করবেন
আবেদনের জন্য প্রিন্ট করা ছবি জমা দিতে হয়, তাই প্রিন্টারে পাঠানোর আগে ক্রপ করা ছবিটি সঠিকভাবে সাজাতে হবে[1]। ক্রপ করা 35 বাই 45 মিলিমিটারের ছবিগুলো একটি প্রচলিত 4 বাই 6 ইঞ্চির ফটো শিটে সাজাতে পারেন।
এই ডিজিটাল শিটটি কাছের এমন কোনো দোকান বা প্রিন্টিং কিয়স্কে নিয়ে যান, যেখানে প্রচলিত 4 বাই 6 ইঞ্চির ফটো পেপারে প্রিন্ট করা হয়। প্রচলিত ফটো প্রিন্টিং সেটিংস অনুযায়ী ফাইলটি গ্লসি বা ম্যাট ফিনিশে প্রিন্ট করুন।
প্রিন্ট করা ছবিগুলো কাটার রেখা বরাবর ধারালো কাঁচি বা পেপার কাটার দিয়ে সাবধানে কাটুন। চূড়ান্ত মাপগুলো 35 বাই 45 মিলিমিটারের শর্তের সঙ্গে হুবহু মেলে কি না, তা রুলার দিয়ে যাচাই করুন।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী
আর্মেনীয় শরণার্থী ভ্রমণ নথির ছবির সরকারি মাপ কত?
সরকারি মাপ 35 বাই 45 মিলিমিটার, যা প্রায় 1.38 বাই 1.77 ইঞ্চি[1]।
আমার কি ছাপানো ছবি লাগবে, নাকি ডিজিটাল ফাইল?
আপনাকে ছাপানো ফরম্যাটে দুটি রঙিন ছবি জমা দিতে হবে[1]।
কর্তৃপক্ষ কি পটভূমির রং নির্দিষ্ট করে দিয়েছে?
কর্তৃপক্ষ দুটি রঙিন ছবির কথা বলেছে, তবে পটভূমি বা ফ্রেমিংয়ের কোনো শর্ত প্রকাশ করেনি[1]।
ভ্রমণ নথির জন্য শিশুদের কি আলাদা ছবি লাগবে?
হ্যাঁ, শরণার্থীর সঙ্গে ভ্রমণকারী প্রতিটি শিশুর জন্য 35 বাই 45 মিলিমিটারের দুটি রঙিন ছবি প্রয়োজন[1]।
ছবিতে কি চশমা পরতে পারি?
চশমা সম্পর্কে নিয়ম নির্দিষ্ট করা নেই[1], তবে তীব্র প্রতিফলন ছাড়া আপনার চোখ স্পষ্ট দেখা যায়, তা নিশ্চিত করাই ভালো।