ইউরোপীয় ইউনিয়ন / শেনজেন

ইইউ শিশুর পাসপোর্টের ছবি (35×45 মিমি)

প্রয়োজনীয় সাইজ: 35×45 মিমি (1.38×1.77 ইঞ্চি)। আপনার ছবিটি আপনার ডিভাইসে প্রসেস করা হয়।

এই নথির জন্য প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট কোনো ছবির আকার প্রকাশ করে না, তাই স্টুডিও সাধারণত সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত আকারটি ব্যবহার করে। আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার কাছ থেকে বর্তমান নিয়মগুলো যাচাই করে নিন।

কোনো ছবি বেছে নেওয়া হয়নি

আপনার ফোন থেকে একটি প্রতিকৃতি আপলোড করুন অথবা আপনার ক্যামেরা দিয়ে একটি তুলুন।

এখনো কোনো ছবি বেছে নেওয়া হয়নি।

ছবির প্রয়োজনীয়তা

  • সাইজ: 35×45 মিমি (1.38×1.77 ইঞ্চি)
  • মাথার সাইজ: থুতনি থেকে মাথার উপর পর্যন্ত 25–36 মিমি
  • ব্যাকগ্রাউন্ড: সাদা, হালকা ধূসর
  • গোপনীয়তা: আপনার ডিভাইসে প্রসেস করা হয়; ছবি আপলোড করা হয় না

ব্যাকগ্রাউন্ড

আপনার পেছনে একটি গ্রহণযোগ্য রঙ দিন। এটি আপনার ডিভাইসেই সম্পন্ন হয়।

অফিশিয়াল স্পেসিফিকেশন

অফিশিয়াল নামICAO Doc 9303 শিশু বায়োমেট্রিক ছবি এক্সেপশন
যেভাবে জমা দিতে হবেপ্রিন্ট করা ছবি অথবা ডিজিটাল আপলোড
ছবির সাইজ35×45 মিমি (1.38×1.77 ইঞ্চি)
মাথার উচ্চতা (চিবুক থেকে মাথার উপর পর্যন্ত)25–36 মিমি
পটভূমিসাদা, হালকা ধূসর
চশমাঅনুমোদিত নয়
মাথা ঢাকার পোশাকশুধুমাত্র ধর্মীয় বা চিকিৎসা সংক্রান্ত কারণে, মুখ সম্পূর্ণ দৃশ্যমান রেখে
মুখের ভাবশিশু এবং ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ভাবলেশহীন মুখ বাধ্যতামূলক নয়

ইইউ শিশুর পাসপোর্ট ছবির নির্দেশিকা ও প্রয়োজনীয়তা

আপনার শিশুর পাসপোর্টের ছবি প্রস্তুত করতে প্রতিটি বিষয়ে সতর্ক থাকতে হয়। ইউরোপীয় কমিশন শিশুদের পাসপোর্ট ছবির জন্য কোনো একক নির্দিষ্টকরণ প্রকাশ করেনি, তাই যে দেশ পাসপোর্ট দেবে, সেই দেশের প্রয়োজনীয়তা যাচাই করতে হবে[1][2]।

ছবির মাপ ও মাথার পরিমাপ

এখানে উল্লেখিত সূত্রগুলো ইইউ বা শেনজেনজুড়ে শিশুদের পাসপোর্ট ছবির একক মাপ নির্ধারণ করে না[1][2]। ছবি প্রস্তুত করার আগে যে দেশ পাসপোর্ট দেবে, সেই দেশের প্রয়োজনীয়তা যাচাই করুন। অনেক কর্তৃপক্ষ সাধারণত 35 বাই 45 মিলিমিটার, অর্থাৎ প্রায় 1.38 বাই 1.77 ইঞ্চি মাপের ছবি চায়, তবে আপনার নির্দিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে তা যাচাই করতে হবে।

মাথার উচ্চতা নিয়ে কোনো শর্ত আছে কি না, তা পাসপোর্ট প্রদানকারী দেশের নির্দেশনা থেকে যাচাই করুন। 35 বাই 45 মিলিমিটারের সাধারণ মাপ প্রযোজ্য হলে, থুতনি থেকে মাথার চূড়া পর্যন্ত দূরত্ব সাধারণত 25 থেকে 36 মিলিমিটারের মধ্যে হয়। ফ্রেমের মধ্যে মাথা ঠিকমতো কেন্দ্রে আছে কি না নিশ্চিত করুন।

পটভূমি ও আলোর প্রয়োজনীয়তা

কোন পটভূমি দরকার এবং ফ্রেমে কী থাকতে পারে, তা পাসপোর্ট প্রদানকারী দেশের নির্দেশনা থেকে যাচাই করুন। এখানে উল্লেখিত সূত্রগুলো ইইউ বা শেনজেনজুড়ে একক পটভূমির নিয়ম নির্ধারণ করে না[1][2]।

ভালো আলো পটভূমি পরিষ্কার রাখতে এবং ছায়া এড়াতে সাহায্য করে। নরম প্রাকৃতিক দিনের আলো আসে—এমন উজ্জ্বল জানালার দিকে মুখ করে ছবি তুলুন। ক্যামেরাটি আপনার শিশুর মুখের সমান উচ্চতায় রাখুন এবং প্রায় এক থেকে দেড় মিটার দূরে ধরুন। সরাসরি ক্যামেরার ফ্ল্যাশ ব্যবহার করবেন না, কারণ তীব্র আলোয় গাঢ় ছায়া পড়তে পারে বা চোখ লাল দেখাতে পারে।

মুখভঙ্গি, চশমা ও মাথার আবরণ

এখানে উল্লেখিত সূত্রগুলো ইইউ বা শেনজেনজুড়ে শিশুদের মুখভঙ্গি নিয়ে কোনো সাধারণ ব্যতিক্রম নির্ধারণ করে না[1][2]। কী ধরনের মুখভঙ্গি দরকার, তা পাসপোর্ট প্রদানকারী দেশের নির্দেশনা থেকে যাচাই করুন।

শিশুর পাসপোর্ট ছবিতে চশমা ও মাথার আবরণের নিয়ম পাসপোর্ট প্রদানকারী দেশের নির্দেশনা থেকে যাচাই করুন। এখানে উল্লেখিত সূত্রগুলো শিশুদের জন্য ইইউ বা শেনজেনজুড়ে কোনো সাধারণ নিয়ম নির্ধারণ করে না[1][2]।

বাড়িতে ছবি তোলার ধাপ

বাড়িতে শিশুর ছবি তুলতে ধৈর্য ও সামান্য পরিকল্পনা দরকার। পটভূমি বা অবস্থান বেছে নেওয়ার আগে পাসপোর্ট প্রদানকারী দেশের নির্দেশনা যাচাই করুন। আলো সমান রাখুন এবং শিশুর ওপর ছায়া পড়তে দেবেন না।

আপনি চাইলে অন্য কাউকে শিশুকে স্থির করে ধরে রাখতে বলতে পারেন, আর আপনি চোখের সমান উচ্চতায় ছবি তুলতে পারেন। পরিষ্কার ছবি তোলার পর ক্রপ ঠিক করতে এবং প্রিন্ট করার জন্য শিট তৈরি করতে সেটি ওপরের টুলে আপলোড করতে পারেন। নিশ্চিত করুন, শিশু জেগে আছে এবং সরাসরি ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে আছে।

জমা দেওয়া ও প্রিন্ট করার বিকল্প

প্রিন্ট করা ছবি, ডিজিটাল ফাইল, নাকি অন্য কোনো পদ্ধতিতে জমা দিতে হবে, তা পাসপোর্ট প্রদানকারী দপ্তরে জেনে নিন। কিছু দপ্তর শুধু ছাপানো কপি নেয়, আবার কিছু দপ্তর অনলাইনে ডিজিটাল ছবি আপলোড করতে দেয়।

ভৌত কপি দরকার হলে, ক্রপ করা ছবিটি সাধারণ 4×6 ইঞ্চির ছবির শিটে সাজাতে পারেন। শিটটি স্থানীয় দোকানের কিয়স্কে নিয়ে সাধারণ ছবি হিসেবে প্রিন্ট করুন, তারপর বাড়িতে কেটে নিন। ক্রপের রেখা ধরে ধারগুলো সতর্কভাবে কাটতে পরিষ্কার কাঁচি বা পেপার কাটার ব্যবহার করুন।

ছবি প্রত্যাখ্যাত হওয়ার সাধারণ কারণ

শিশুর পাসপোর্ট ছবির ক্ষেত্রে ফ্রেম, আলো ও মাথার মাপসহ পাসপোর্ট প্রদানকারী দেশের নির্দেশনা অনুসরণ করুন। ছবি প্রত্যাখ্যানের সাধারণ কারণের মধ্যে রয়েছে খারাপ আলো, মুখে বা পটভূমিতে ছায়া এবং মাথার মাপ ভুল হওয়া।

ছবিতে কী থাকতে পারে এবং মুখ কীভাবে দেখাতে হবে, তা পাসপোর্ট প্রদানকারী দেশের নির্দেশনা থেকে যাচাই করুন। ফ্রেমে খেলনা বা অন্য কাউকে রাখবেন না। সূত্র 2-এ চোখ খোলা রেখে ক্যামেরার দিকে তাকানোর কথা বলা হয়েছে, তবে শিশুদের নিয়ম পাসপোর্ট প্রদানকারী দেশভেদে ভিন্ন হতে পারে[2]।

দপ্তরে যাওয়ার আগে

অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য অফিসে যাওয়ার আগে আপনার শিশুর ছবির সঙ্গে সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুছিয়ে নিন। ছাপানো ছবিগুলো পরিষ্কার, ভাঁজমুক্ত এবং দাগছাড়া উপযুক্ত ফটো পেপারে ছাপা হয়েছে কি না, ভালো করে দেখে নিন।

কর্তৃপক্ষ যদি অফিসেই ছবি তোলে, তাহলে বিশেষ কিছু আনতে হবে কি না জেনে নিন। ভারী নকশা ছাড়া সাধারণ পোশাক পরিয়ে শিশুকে প্রস্তুত করতে হবে কি না, সেটাও জেনে নিতে পারেন। কয়েক মিনিট আগে পৌঁছান, যাতে অ্যাপয়েন্টমেন্টের আগে আপনার শিশুকে শান্ত ও প্রস্তুত রাখতে পারেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

ইইউ শিশুর পাসপোর্ট ছবির মাপ কত হওয়া উচিত?

এখানে দেওয়া সূত্রগুলোতে ইইউ বা শেনজেনজুড়ে শিশুর পাসপোর্ট ছবির জন্য কোনো একক মাপ নির্দিষ্ট করা হয়নি। যে দেশ পাসপোর্ট দিচ্ছে, সেই দেশের শর্ত দেখে নিন[1][2]।

আমার শিশুর কি নিরপেক্ষ মুখভঙ্গি রাখতে হবে?

এখানে দেওয়া সূত্রগুলোতে ইইউ বা শেনজেনজুড়ে শিশুদের মুখভঙ্গির ক্ষেত্রে কোনো সাধারণ ছাড়ের কথা বলা হয়নি। যে দেশ পাসপোর্ট দিচ্ছে, সেই দেশের নির্দেশনা দেখে নিন[1][2]।

ছবিতে আমার শিশু কি চশমা পরতে পারে?

শিশুর পাসপোর্ট ছবিতে চশমা পরার নিয়ম জানতে যে দেশ পাসপোর্ট দিচ্ছে, সেই দেশের নির্দেশনা দেখে নিন।

কোন পটভূমির রং গ্রহণ করা হয়?

এখানে দেওয়া সূত্রগুলোতে ইইউ বা শেনজেনজুড়ে শিশুর ছবির পটভূমির কোনো একক রং নির্দিষ্ট করা হয়নি। যে দেশ পাসপোর্ট দিচ্ছে, সেই দেশের নির্দেশনা দেখে নিন[1][2]।

আমি কি সাধারণ ফটো কিয়স্কে ছবিটি ছাপাতে পারি?

হ্যাঁ, আপনি কাটা ছবিটি 4×6-ইঞ্চির শিটে সাজিয়ে সাধারণ ফটো কিয়স্কে ছাপাতে পারেন, যদি আপনার আবেদন গ্রহণকারী অফিস ছাপানো ছবি জমা নেয়।

শিশুর পাসপোর্ট ছবি তোলার সময় কি ফ্ল্যাশ ব্যবহার করা উচিত?

ক্যামেরার সরাসরি ফ্ল্যাশ ব্যবহার না করাই ভালো, কারণ তীব্র আলোয় ছায়া পড়তে পারে বা চোখ লাল দেখাতে পারে। কাছের জানালা থেকে আসা মৃদু প্রাকৃতিক আলো অনেক ভালো কাজ করে।